Monday, April 22, 2024
প্রচ্ছদকুষ্টিয়াকুমারখালীকুষ্টিয়া ৪ আসনের সময়ের ডাক শুনতে হবে-সুভাষ দত্ত

কুষ্টিয়া ৪ আসনের সময়ের ডাক শুনতে হবে-সুভাষ দত্ত

Published on

মি দীর্ঘদিনের আওয়ামীলীগের একজন সামান্য কর্মী। ৩০ বছর ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে, যুবলীগ হয়ে ক্রমশ রাজনীতি করে আজ থানা আওয়ামীলীগের সম্পাদকের দায়িত্ব প্রায় ১৩ বছর। থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে বহু উত্থান পতন দেখেছি, আমাদের দলেরও সুসময়-দুঃসময় দেখেছি। কম বেশি অভিজ্ঞতা সঞ্চার করেছি। দল থেকে কি পেয়েছি না পেয়েছি সেটা আপনারা সবাই জানেন। তবে দলের সুসময়-দুঃসময়ের প্রতিটি মঙ্গল সম্ভাবনার সাথে থেকেছি, প্রতিটি পজিটিভ কাজের সাথে যুক্ত হতে চেষ্টা করেছি। এর জন্য ৪ বার বাৎসরাধিক সময় ধরেও কারাবরণ করেছি। দলের কাছ থেকে অপ্রাপ্তিতে দুঃখ নেই, অত্যাচারেও আপসোস নেই। আমাদের সামান্য চাওয়- স্বাধীনতার নেতৃত্ব দানকারী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দলটি দেশের ক্ষমতায় থাক এবং দল ক্রমশ জন-সম্পৃক্ততা ধরে রেখে একটি আধুনিক দল হিসেবে এগিয়ে যাক। দল ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে আসুক- শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশিল, মানবিক, কর্মীবন্ধব ও ভালো সংগঠক।

নির্বাচন এলে বহু নতুন প্রার্থী আসে। ব্যানার, ফেস্টুন, পোস্টারে ছেয়ে ফেলেন সারা এলাকা। সাংবাদিকদের সাথে সখ্যতা করে নিউজের পর নিউজ, বিশাল সম্ভাবনা। সবই দেখি। এর মধ্যে কেউ যোগ্য, কেউ অযোগ্য, কেউ আবার নির্বাচন শেষে উবে যান। আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই। কারন বেশি প্রার্থী মাঠে থাকলে দলের সুবিধা। এর মধ্যে আমরা দলের কর্মী হিসেবে প্রত্যাশা করি এমন একজন প্রার্থী, যাকে দিয়ে শুধু এই নির্বাচন নয়, দলের উন্নত ভবিষ্যৎ বিনির্মান হবার সম্বাবনা আছে। দলের নীতি আদর্শের জ্ঞান ও বিশ্বাস আছে। দল ও জনগনকে ২০৪১ সালের জন্য প্রস্তত করার মতো নিজের দক্ষতা আছে। নিজের সামর্থ্য থেকে দলের কর্মী, দলের সুনামের জন্য কাজ করার মানসিতার প্রমান রেখেছেন অন্তত বিগত ১০ বছর ধরে। সর্বপরি মানুষের প্রতি ভালোবাসা আছে, তাদের নিয়ে এগিয়ে যাবার ভাবনা আছে। শুধু আজকের কথা নয়, তার মাথায় আছে আগামী দিনের ভাবনা, পথ চলার মতো বুদ্ধিবৃত্তিক আলো। কারন আমাদের দলের প্রধান শেখ হাসিনা ২০৪১ সালে জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির কথা বলছেন, বলছেন আগামী ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যানের কথা।

আজ আমি কলম ধরেছি, সময়ের প্রয়োজনে। আমাদের প্রাণের দলের প্রয়োজনে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেবার আহবানে। আমাদের দলের একজন সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ সম্পদকে নিয়ে লিখতে। চল্লিশের কোটায় তার বসয়। তরুন প্রার্থী হিসেবেই বিবেচিত। আমার এলাকার অনেক রাজনীতিবিদের রাজনীতির বয়স তার মোট বয়সেরও বেশি। তাই সিনিয়রদের সাথে তার তুলনা অমুলক। যে লোকটি আমি সমর্থন করি এই বয়সে তার উপরোক্ত গুনগুলোর প্রমানের জন্য। সে আমাদের সবার সুপরিচিত ছোট ভাই “সুফি ফারুক”। তার মাত্র ১১ বছরের রাজনীতিতে তার যে রাজনৈতিক মেধা, শিক্ষা, দক্ষতা, অঙ্গীকার, সততা, পরিশ্রম ও সাংগঠনিক যোগ্যতা দেখেছি, তাতেই আমি তার প্রতি আশাবাদি হয়েছি। মনে হয়েছে সুফি ফারুকের উদ্যোগে আমাদের ভবিষ্যৎ কুমারখালী-খোকসার রাজনীতি একটি অন্যরকম যুগোপযোগী ও আধুনিক রুপ পাবে।

সুফি নিজ পরিচয়ে পরিচিত। তার বাবা একজন আওয়ামীলীগের সামান্য রাজনৈতিক কর্মী। সুফি শিশু অবস্থায় তার বাবা জাসদ গণবাহিনীর নিসসংশ হত্যাকান্ডের স্বীকার। যতদুর মনে পড়ে তার বাবার মৃত্যুতে আমাদের দলের কেন্ত্র থেকে বিবৃতিও দেয়া হয়েছিলো। তাই আমাদের দলের রাজনীতি তার রক্তে এবং রক্তের সম্পর্কে শানিত। ছাত্র অবস্থায় রাজনৈতিক কাজে তার কমবেশি অংশগ্রহন দেখলেও, স্থানিয় সক্রিয় দালিয় রাজনীতিতে তখন খুব বেশি সক্রিয় দেখিনি। লেখাপড়া, প্রযুক্তি, সাংস্কৃতি এসব নিয়ে ব্যস্ততা ছিলো তার। কময় বয়সে ঢাকায় চলে গেল। এরপর দেশে-বিদেশে লেখাপড়া চাকরি নিয়ে খুব ব্যস্ত জীবন। সম্পুর্ন নিজে নিজেকে গড়া একজন মানুষ। ঢাকাতে খুব বড় চাকুরি-ব্যবসা করলেও, প্রতি মাসে দু তিনবার এলাকায় আসতো, সমাজসেবামুলক কাজ করতো।

সুফিকে প্রথম রাজনৈতিক বিষয়ে একটিভ বুঝলাম ওয়ান ইলেভেনের সেই ভয়ঙ্কর সময়। দেখা হবার পরে আমাকে তৎকালিন রাজনৈতিক পরিস্থিতি বোঝাল, কে কি করছে জানাল এবং আমাদের কি করনীয় তার সম্পর্কে বলল। সাথে বলল সে ঢাকায় আলাদা বাসা নিয়ে আমাদের কুমারখালীর কয়েকজন দলীয় কর্মী রেখেছে (যাদের মধ্যে একজন আজ চেয়ারম্যানও হয়েছেন)। কারও মাথায় ওরকম বিপদ থাকলে ওখানে রাখা যেতে পারে। তাছাড়া কারও আইনি বা মেডিকেল সহায়তা লাগলে তার সাথে যোগাযোগ করতে বলল। তার অর্থায়নে প্রকাশিত বই ও পোস্টার দিল। সে জানালো যেহেতু খোলামেলা রাজনৈতিক কাজ করা যাচ্ছে না, তাই সামাজিক কাজ দিয়ে জনগনের সাথে যুক্ত থাকতে হবে। শিক্ষা বৃত্তি, বিতর্ক প্রতিগিতা, ইউনিয়ন পরিষদে কম্পিউটারায়ন, মসজিদ-কবরস্থান নির্মান সহযোগীতা সহ বহুবিধ কাজ করতে লাগলো। পুরো ওয়ান ইলেভেনের সময়টা তাকে প্রয়োজনে পেয়েছি। তার পরিবহন চালু করার সময় আমাকে ডেকে একটি দায়িত্ব দিলো এবং আরও দলীয় কর্মীরা যারা খারাপ অবস্থায় আছে তাদেরকে সম্ভব হলে কাজ দেবার কথা জানালো। একটি মাল্টিন্যাশনালে চাকুরিরত থাকা অবস্থায় তার কার্যক্রমে তার দল ও নেত্রীর প্রতি ভালোবাসা ও কমিটমেন্ট দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছি।

২০০৮ সালের নির্বাচনে দলের পক্ষের প্রচারে তাকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে দেখেছি। শুধুমাত্র কুষ্টিয়া-৪ নয়, কুষ্টিয়া-৩ এর নির্বাচনি প্রচারনায়ও সে যুক্ত ছিলো। এর পরে তাকে সকল নির্বাচনে কখনো যুব সম্নয়কারী, কখনও প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট সহ সক্রিয়রুপে পেয়েছি। কেন্ত্রীর প্রচার প্রচারনায় সহায়তার পাশাপাশি সে সরাসরি ও তার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কুমারখালী-খোকসায় সমাজসেবা অব্যহত রেখেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে আমরা দলের বেশিরভাগ লোক নৌকার মনোনিত প্রার্থী আব্দুর রউফের সাথে ছিলাম না। মুলত তরুণদের নিয়ে সুফি ফারুক তার নির্বাচন করে। সুফি গাড়ি, অর্থ, কর্মীদল সহ সর্বশক্তি নিয়োগ করেছিলো। তবে সুফি দলের চেইন অব কমান্ড ও মুল ধারার পক্ষের মানুষ। তারা মামা আব্দুর রউফ এমপি মুল ধারার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করায় এবং নির্বাচনের পরে তারুন্যের মুল্যায়ন না করায় তার সাথে সুফির দুরত্বের সৃষ্টি হয়। এরপর ২০১৪ সালের কাউন্সিলে সুফি ফারুক জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নির্বাচতি হয়। ইতমধ্যে বেশ কিছু ঘটনাকে কেন্ত্র করে তাদের বিরোধ চুড়ান্ত রুপ নেয়। ২০১৫ সালের শেষ দিকে সুফি ফারুক নিজেই আগামী দিনের প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা দিয়ে তার সামাজিক কার্যকলাপগুলোকে রাজনৈতিক রুপ দিতে শুরু করেন। আমরা দেখে অবাক হয়েছি বিভিন্ন ধরনের বৈরিতার মুখে কিভাবে সুফি ফারুক অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে চলেছে।

সুফি একটি ভিন্ন আঙ্গীকে নির্বাচনি প্রস্ততি নিয়েছে। “কুমারখালী-খোকসায় একটি শিক্ষিত, দক্ষ, কর্মঠ, রুচিশীল ও মানবিক প্রজন্ম তৈরিই আমার জয় বাংলা” শ্লোগান নিয়ে তার কর্মযজ্ঞের আয়োজন। কুষ্টিয়া ৪ আসনের পুরো ভোটারের ১০% নির্দলীয় তরুণ ও মহিলা (ফ্লোটিং) ভোটার টার্গেট করে, বিভিন্ন ধরনের সেবা দিয়ে, নিজের সাথে যুক্ত করেছে। পেশা পরামর্শ, কম্পিউটার-দর্জি-বিউটিশিয়ান ধরনের ফ্রি প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা সহ ১৪ টি নিয়মিত কর্মসূচি চালাচ্ছে। সবার যোগাযোগের নম্বর নিবন্ধন করে, কল সেন্টারের মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। তার হিসেব রয়েছে, দলের ভোট ব্যাংকের সাথে এই ভোট যুক্ত করতে পারলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত। দুটি থানায় অফিস নিয়ে, প্রতি গ্রামে প্রশিক্ষিত কর্মী বানিয়ে, পেশাদারী সমন্বয়ের মাধ্যমে সে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আমি দলের সম্ভাবনায় সম্পদ এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতিয় সংসদ নির্বাচনে প্রাথি হিসেবে তাকে সমর্থন করি। স্থানীয় রাজনৈতিক কারন বিবেচনায় আমার কাছে মনে হয় –

১. সুফি দীর্ঘ সময় ধরে তরুণ ও মহিলাদের জন্য বিশেষায়িত কর্মসূচী ও অভিনব প্রচারের ফলে, ওই অংশে সে সন্দেহাতীত ভাবে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী। সুন্দর ব্যবহার, ক্লিন ইমেজ, সুদর্শন ও তারকাসুলভ খ্যাতি আছে। তাকে দিয়ে সর্বাধিক নির্দলীয় তরুণ ও মহিলা ভোটারদের আকর্ষণ করা সম্ভব। যেখানে জরিপে দেখা গেছে “তরুণ ও মহিলাদের” ভোট সংখ্যা সর্বাধিক হবার পরেও, তাদের যেকোনো দলের প্রতি আনুগত্য অপেক্ষাকৃত কম।

২. সুফি ছাড়া উল্লেখযোগ্য সকল প্রার্থীই বয়সে প্রবীণ। তারা সবাই বর্তমানে/ইতোপূর্বে এক বা একাধিক দলীয়/সরকারী পদে থাকায়, সঙ্গত কারণে খ্যাতিহানি হয়েছেন। বয়সের কারণে তারুণ্যের সাথেও যোগাযোগ কম। উপরন্তু প্রত্যেকের সাথে প্রত্যেকের বিরোধ স্পষ্ট। সবার বয়স, বিত্ত, যোগ্যতা ও অন্যান্য সামাজিক অবস্থা প্রায় সমমানের হওয়ায়, কেউ কাউকে ছাড় দিতে চান না। তাদের কাউকে মনোনয়ন দিলে, বাকিদের বিদ্রোহী হবার বা নিষ্ক্রিয় থাকার সম্ভাবনা আছে। সুফির মতো নতুন গ্রহণযোগ্য তরুণ কাউকে মনোনয়ন দিলে, সবার বিদ্রোহের কারণ ও সম্ভাবনা কমে যাবে। কম বয়সি কাউকে মনোনয়ন দিলে সে তার বয়স, ব্যক্তিত্ব ও ব্যবহারের কারণে সবার কাছে নত হয়ে, সবাইকে সাথে নিয়ে ভোট প্রার্থনা করতে পারবে।

৩. আমাদের ২টি উপজেলার মধ্যে, খোকসা উপজেলার ভোট কুমারখালী উপজেলার এক-তৃতীয়াংশ। তাই প্রার্থী কুমারখালীর হলে সুবিধা। পাশাপাশি কুমারখালীতে দুটি পরিবারের বৃহৎ পারিবারিক ভোট ব্যাংক রয়েছে। একদিকে আওয়ামীলীগে বর্তমান এমপি আব্দুর রউফ বা সুফি ফারুক এর পরিবার, অন্যদিকে বিএনপিতে আনসার প্রামাণিকের পরিবার। সুফি ফারুককে প্রার্থী করলে, বর্তমান এমপি আব্দুর রউফ এর বিদ্রোহী হবার, সুযোগ থাকবে না।

৪. সুফি তার রাজনীতি একটি বিশেষ তথ্য প্রযুক্তি সিস্টেমের এর মাধ্যমে পরিচালনা করে, যেটি ওই আসনের ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি অমূল্য সম্পদ হতে পারে।

৫. সুফি প্রার্থী নতুন হলেও, উক্ত আসনে সংগঠন, বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচার ও পরিচালনার দশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তার বর্তমান ইমেজ, বয়স, শিক্ষা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের সমন্বয় করলে অন্য প্রার্থীদের চেয়ে সে এগিয়ে আছে।

আমি সহ আওয়ামীলীগের বেশিরভাগ তৃনমূল কর্মীরা মনে করেন – দীর্ঘ সময় ধরে তরুণ ও মহিলাদের জন্য বিশেষায়িত কর্মসূচী ও অভিনব প্রচারের ফলে, তাদের মধ্যে সুফির আলাদা জনপ্রিয়তা আছে। তাছাড়া সে সুদর্শন , সুন্দর ব্যবহার, ক্লিন ইমেজর কারণে, তাকে দিয়ে সর্বাধিক নির্দলীয় ভোটারদের আকর্ষণ করা সম্ভব।

এছাড়া এমপির স্থানিয় গুরুত্বের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে কিছুটা পরিচিতি থাকলে এলাকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সুবিধা হয়। সেই বিবেচনায় সুফিই সেদিক দিয়ে সবচেয়ে পরিচিত প্রার্থী। কারন সে শুধুমাত্র স্থানিয় রাজনীতি বা সমাজকর্মেই সক্রিয় নয়, সে জাতিয় ও আন্তর্যাতিক পর্যায়ে দলের জন্য ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে দেশের একপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে সভা, সেমিনার, প্রযুক্তি উৎসব সহ বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম আয়োজন করেছে। তাই জাতীয় ও আন্তর্যাতিক কারন বিবেচনায় আমার কাছে মনে হয় –

১. সুফি ফারুক বাংলা-ইংরেজি ভাষায় সাবলীল, যোগাযোগে অভ্যস্ত, সুবক্তা ও সুলেখক। বাংলাদেশ ও ভারতবর্ষের ইতিহাস, রাজনীতি, ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কে তাঁর ভালো লেখাপড়া আছে। দীর্ঘ সময় ধরে সে টেলিভিশন টকশো সহ দেশের অন্যান্য গণমাধ্যম ও সামাজিক গণমাধ্যমে সরব রয়েছে। তার কলাম জাতীয় ও আন্তর্যাতিক পর্যায়ে প্রকাশিত হয়। আওয়ামীলীগের তরুণ নেতৃবৃন্দের সাথে সে সুপরিচিত। দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে তাঁর পরিচিত লোকজন আছে। তাই সে গণমাধ্যম, সামাজিক গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক ফোরামে দল ও দেশের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারবেন।

২. তথ্যপ্রযুক্তিবিদ হিসেবে সুফির দক্ষতা ও অবদান ওই খাতের লোকজনের কাছে স্বীকৃত। তার দক্ষতাকে দল ও জাতীয় স্বার্থে কাজে লাগানো যায়।

৩. সুফি সাংস্কৃতিক সংগঠক হিসেবে বড় একটি ফোরামের নেতৃত্ব দিচ্ছে, যাদেরকে দলের বিভিন্ন সংকটকালীন সময়ে মাঠে পাওয়া গেছে। তাকে দিয়ে শিল্পীদের একটি বড় অংশকে দল ও দেশের স্বার্থে কাজে লাগানো যায়।

৪. সুফি আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পেশাজীবি, দেশ-বিদেশে কাজে অভিজ্ঞ ও বয়সে তরুণ হওয়ায়, আমাদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের কার্যকর সহযোগী হতে পারবেন।

৫. সুফি বয়সে তরুণ হলেও, ইতোপূর্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদে দায়িত্ব পালন করেছে, নিজেরও সফল প্রতিষ্ঠান আছে। তাই তার সাংগঠনিক ও ব্যবস্থাপনা দক্ষতাকে দল ও দেশের কাজে ব্যবহার করা যাবে।

আমাদের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের স্বাধীনতা, সর্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন। এরবার আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে একদিকে যেমন বাংলাদেশে গণতন্ত্র একটি স্থায়ী রুপ পাবে। অন্যদিকে দেশ একটি মহা সংকটের মুখ থেকে ফিরে আসবে। তাই দল ও কুমারখালী খোকসার মানুষের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় সুফির মতো একজন প্রার্থীকে দলিয় মনোনয়ন দিয়ে সবাই মিলে একত্রে নির্বাচন করা আমাদের জন্য সবচেয়ে মঙ্গল।

লেখক-
সুভাষ দত্ত
প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, কুমারখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ

আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুন- news@kushtia24.news আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব।

সর্বশেষ

কুষ্টিয়ায় আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ৭

কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার পর সংঘর্ষে জড়িয়ে অন্তত সাতজন...

কুষ্টিয়ায় শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি, বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির মামলায় বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর)...

কুষ্টিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

কুষ্টিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় একটি শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।   বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরের দিকে...

পাসপোর্ট সংশোধনে সরকারের নতুন নির্দেশনা

এনআইডির তথ্য অনুযায়ী পাসপোর্ট রি-ইস্যুর নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রে (এনআইডি) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পাসপোর্ট...

আরও পড়ুন

কুষ্টিয়ায় শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি, বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে পঞ্চম শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির মামলায় বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর)...

ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে কুষ্টিয়ার মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে সুপারি গাছে ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে মিঠু শেখ (১৪) নামে...

কুষ্টিয়া কুমারখালী | পোড়া কয়লা বিক্রি করে ভাগ্য বদল, মাসে আয় দুই লাখ

জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন গাছের কাঠ। এই কাঠ পুড়েই হয় কয়লা। আর...